সোমবার, ২২ Jul ২০১৯, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
মৌলভীবাজারে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির স্বীকার একজন কেশবপুরের মজিদপুর ইউপির চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পথসভা অনুষ্ঠিত কেশবপুরে মৎস্য চাষ বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কেশবপুরে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসাপাতালের উদ্বোধন ভোক্তা অধিকার কর্তৃক অভিযান দুটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা জলঢাকা উপজেলার টেংগনমারী ক্লাস্টারের প্রধান শিক্ষকগণের সঙ্গে সাঁথিয়ায় ছেলেধরা গুজবে আতংক ৭ম শ্রেণির ছাত্রকে গলাকেটে নেয়ার চেষ্টা বেড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক লক্ষ টাকা জরিমানা নরসিংদীতে মরিয়ম হত্যার বিচার দাবীতে মানবন্ধন নরসিংদীতে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় পুলিশ সুপারকে বিদায় জানালেন জেলা প্রশাসক ফাইনাল খেলার পূর্বমূহুর্তে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে বাফুফে’র বিরুদ্ধে মানববন্ধন চট্টগ্রামের অপেক্ষমাণ আবাসিক গ্যাস সংযোগ না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে নৌকাডুবি ও যাত্রী ভাড়া! পাটগ্রামে বন্যায় ভাঙ্গা সেতুর সংযোগে সাঁকো দাবি জলঢাকায় সেতু না থাকায় দূর্ভোগে হাজারো ও মানুষ মানুষের সৎ কর্ম মানুষকে অনন্তকাল মানুষের মনের মনি কোঠায় বাচিয়ে রাখে যশোরে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের দুই সদস্য আটক সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফুলপুরে বন্যাদুর্গতদের মাঝে খাদ্য ও ত্রাণ বিতরন প্রতিবন্ধী রিকশা চালক চুরি করার জন্য ঘরের পেছনে ভর দুপুরে ঘুরা-ঘুরি কুশিয়ারা নদীর বাঁধ নির্মান ও নদী খনন প্রকল্প হতে নেয়া হয়েছে; পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক ঠাকুরগাঁওয়ে রান্না করা মাংসে “আল্লাহু” লেখা
জাবিতে বিতর্কিত ধারা বাতিলের জন্য সাংবাদিকদের মানববন্ধন

জাবিতে বিতর্কিত ধারা বাতিলের জন্য সাংবাদিকদের মানববন্ধন

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক,জাবিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কিত ও নিপীড়নমূলক ছাত্র শৃঙ্খলা বিধি ৫ এর (ঞ) ও (থ) নং ধারা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির কর্মরত সাংবাদিকরা। আজ সোমবার (৮ জুলাই) দুপুর ২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের” ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মাহমুদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ বলেন, শিক্ষার্থীদের আচরণবিধি অংশে উল্লিখিত ৫(ঞ) এবং ৫(থ) উপধারা দুটি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ (চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতা) এবং অনুচ্ছেদ ৪০ (পেশা বৃত্তির স্বাধীনতা) এর পরিপন্থি।বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি যেখানে ঢালাওভাবে উপধারায় উল্লিখিত কর্মকাণ্ড সংঘঠিত হতে পারে। উপরন্তু, অসত্য, তথ্য বিকৃতি, আশালীন বার্তা বা অসৌজন্যতামুলক বার্তার কোনো সংজ্ঞা কিংবা ব্যাখ্যা না থাকার ফলে উপধারা দুটি নিপীড়নমূলক হয়ে উঠতে পারে এবং উঠবে এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের খবরের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তচিন্তার বিকাশ এবং লালন-পালনের যথাযথ স্থান। এই উপধারা দুটি ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ভীতি ও শঙ্কা তৈরি করবে, যা শুভ নয়। ক্যাম্পাসে কর্মরত সংবাদকর্মীদের কাজের ক্ষেত্র সংকুচিত করবে এবং সাংবাদিকরা নিগ্রহের শিকার হতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ দিদার বলেন, এটি ‘দূরভিসন্ধিমূলক’ ধারা। যা শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের প্রতিবাদী কন্ঠস্বরকে চেপে ধরতে সাহায্য করবে। অবিলম্বে ধারা দু’টি বাতিলের জোর দাবি জানাচ্ছি। শাখা সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান বলেন, “এখানে আমরা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রতিধ্বনি দেখতে পাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব নিবর্তনমূলক তৎপরতা রয়েছে সেগুলোর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিব্যক্তিকে এটা সংকুচিত করবে। যেহেতু প্রশাসন তাদের মতো করেই সত্য-অসত্য প্রতিপাদন করবে। ফলে এটার অপব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। জাবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তারিক প্লাবন বলেন, ধারা দুটি সংযোজন করে প্রশাসন কর্তৃত্বপরায়ণ মানসিকতার জানান দিচ্ছে। এটা অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার গণমাধ্যমকর্মী ও প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের থামিয়ে দেওয়ার প্রয়াস। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো মহান প্রতিষ্ঠানে এমন নিবর্তনমূলক নীতিমাল লজ্জাকর। প্রশাসনকে অবশ্যই এটি বাতিল করতে হবে। এসময় বিভিন্ন পত্রিকায় কর্মরত প্রায় অর্ধশতাধিক সাংবাদিক ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। হালনাগাদকৃত শৃঙ্খলা বিধির যে ধারাটি সবচেয়ে বেশি ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে- “কোনো ছাত্র/ছাত্রী অসত্য এবং তথ্য বিকৃত করে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদন স্থানীয়/জাতীয়/আন্তর্জাতিক প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক সংবাদ মাধ্যমে/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ/প্রচার করা বা উক্ত কাজে সহযোগিতা করতে পারবে না।” শৃঙ্খলা বিধিতে ৫-এর ঞ নম্বর ধারা হিসেবে সংযুক্ত হয়েছে এটি। অপরটি ৫-এর (থ) নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, “বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ছাত্র/ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর উদ্দেশে টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ই-মেইল, ইন্টানেটের মাধ্যমে কোনও অশ্লীল বার্তা বা অসৌজন্যমূলক বার্তা প্রেরণ অথবা উত্ত্যক্ত করবে না। উল্লখ্যে, গত ৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন পেয়েছে ধারা দুটি। জানাজানি হওয়ার পর এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভেতরে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই মনে করছেন, ধারা দুটি স্বাধীন মতপ্রকাশ ও মুক্ত সাংবাদিকতা চর্চাকে রুদ্ধ করার জন্যই প্রণয়ন করা হয়েছে। সংশোধিত বিধিতে ধারা দুটি লঙ্ঘণ করার শাস্তির কথা বলা হয়েছে- লঘু শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, সতর্কীকরণ এবং গুরু শাস্তি হিসেবে আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার, সাময়িক বহিষ্কার ও পাঁচ হাজার টাকার উর্ধ্বে যেকোনো পরিমাণ জরিমানা করা হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2019 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY sdsubrata.info
Translate »