বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
ভারতে বিপুল জয়ের দিকে এগোচ্ছে বিজেপি যশোরের মনিরামপুরে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা! যশোরের মণিরামপুরে স্কুলের জমি দখল করে হাট, ১৪৪ ধারা জারি জাবিতে ঢাকা জেলা সমিতির কমিটি প্রদান ঠাকুরগাঁওয়ে কষ্টি পাথর নিয়ে আত্মগোপনে গোলাম রব্বানী অসহায় কৃষকের বর্তমান চিত্র তুলে ধরেছেন ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহবধু হত্যা মামলার ৩ আসামী আটক টেকনাফে ৩ রোহিঙ্গা নারীর পেট থেকে ইয়াবা উদ্ধার ওদের জন্ম নৌকায় অর্থের বিনিময়ে এ কার্ড বিত্তবানদের দিচ্ছেন অভিযোগ জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কমিটি প্রদান লালমনিরহাটে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  জামানত ছাড়াই ১০ লাখ টাকার বেশি ঋণ পাবে নতুন উদ্যোক্তা  গলাচিপায় ধরা পড়া অজগর অবমুক্ত, হরিণের করুন মৃত্যু পটুয়াখালীতে শাহিনের সংবাদ সম্মেলন রাঙ্গাবালীতে মামলা করায় বাদীসহ চারজনকে আহত পটুয়াখালীতে ভাড়ার টাকা চাওয়ায় রিক্সাওয়ালাকে মারধর গলাচিপায় মাধ্যমিক স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে নিয়ে তোলপাড় ! কেশবপুর সুবোধমিত্র মেমোরিয়াল অর্টিজম ও প্রতিবন্দী বিদ্যালয় ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন বেড়ায় ফেন্সিডিল,গাঁজাসহ ৫মাদক ব্যবসায়ী আটক
বাংলা বছরের উত্থান নিয়ে কিছু কথা

বাংলা বছরের উত্থান নিয়ে কিছু কথা

ফাইল ছবি

প্রধান প্রতিবেদক: সংস্কারপন্থি আকবর বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখলেও বাংলা সন প্রচলনের ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ স্মরনীয় হয়ে আছেন। বাংলা ও ইংরেজী নববর্ষ পালনের ক্ষেত্রে একটা বড় পার্থক্য হল- ইংরেজী নববর্ষ পালন করা হয় ঠিক রাত ১২ টার পর হতে আর বাংলা নববর্ষ পালন করা হয় ঠিক সূর্য ওঠার সাথে সাথে। কিন্তু এই বাংলা সন প্রবর্তনের পেছনে রয়েছে নানা ইতিহাস। মূলত পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে বিজয় উদযাপন ও আরও সুবিধাজনক উপায়ে কৃষকদের নিকট খাজনা আদায় করতে সম্রাট আকবর ইলাহী সন প্রবর্তনের ঘোষনা দেন। মুঘল আমলে রাজারা খাজনা আদায় করত চন্দ্রবর্ষ অনুযায়ী। চন্দ্রের উদয়-অস্তের মাধ্যমে চন্দ্রবর্ষ হিসেব করা হত। কিন্তু কৃষকেরা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় ফসল ঘরে তুলতে পারত। চন্দ্রবর্ষ প্রতিবছর ১১ দিন করে এগিয়ে যাওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের সাথে সঙ্গতি রেখে খাজনা প্রদান করা কৃষকের নিকট সমস্যা হয়। বাদশা আকবর সহজ, বিজ্ঞানভিত্তিক ও কার্যকর উপায়ে একটি বছরের হিসেব রাখার কথা ভেবেছিলেন যাতে কৃষকদের খাজনা প্রদান করতে কোন সমস্যা না হয়। আর এই দায়িত্ব পড়ে সে সময়ের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও জ্যোতিবিদ আমির ফতল্লা শিবাজী’র উপর। তার প্রচেষ্টায় ১৫৮৪ সালের ১১ মার্চ ‘‘ইলাহী সন’’ নামে নতুন বছরের যাত্রাপথ শুরু হয়। কৃষদের নিকট তা ‘‘ফসলি সন’’ নামে পরিচিতি পায়। পরবর্তীতে তা ‘‘বঙ্গাব্দ’’ নামেই প্রচলিত থাকে। নতুন সাল আকবরের রাজত্বের ২৯ তম বর্ষে ১৫৮৪ সালে চালু হলেও গণনা আরম্ভ হয় ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর থেকে কেননা এই দিনে তিনি পানিপথের যুদ্ধে হিমুকে পরাজিত করেন। বলা বাহুল্য বাংলা সন ১ থেকে শুরু হয়নি কারণ হিসেবে বলা যায় আকবর হিজরী সালের সাথে সঙ্গতি রেখে বাংলা সনের সূচনা করেন। আর তাই বাংলা সনের সূচনা হয় ৯৬৩ হিজরী ১৫৫৬ ইং সালের ১১ এপ্রিল ১লা বৈশাখ ৯৬৩ বাংলা গণনা শুরু হয়। আধুনিক বাংলা নববর্ষের উদযাপন শুরু হয় ১৯১৭ সালে। তখন ব্রিটিশ বিরোধী চেতনা কেবলমাত্র গড়ে উঠেছে। ইংরেজরা ভারতবাসীকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেয়ার কথা বলে ১ম বিশ্বযুদ্ধে এদেশবাসীর সমর্থন চায়। আর তাদের বিজয় কামনা করে সে বছর পহেলা বৈশাখে হোমকীর্ত্তন ও পূজার ব্যবস্থা করা হয়। বাঙালি জীবনযাপনে বাংলা বর্ষপঞ্জি জীবন ও জীবিকার সঙ্গে এক সুতোয় গাথা। পহেলা বৈশাখ বাঙালি জীবনে আনে বিচিত্র আলোড়ন। যুগ যুগ ধরে বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে বাংলা নববর্ষ। ব্যবসায়ীরা‌ পুরনো বছরের হিসেব বুঝে নিয়ে খোলেন হালখাতা। হালখাতা মানে নতুন হিসেবের খাতা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2019 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY sdsubrata.info
Translate »