বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯, ০৫:১১ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম:
ভারতে বিপুল জয়ের দিকে এগোচ্ছে বিজেপি যশোরের মনিরামপুরে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা! যশোরের মণিরামপুরে স্কুলের জমি দখল করে হাট, ১৪৪ ধারা জারি জাবিতে ঢাকা জেলা সমিতির কমিটি প্রদান ঠাকুরগাঁওয়ে কষ্টি পাথর নিয়ে আত্মগোপনে গোলাম রব্বানী অসহায় কৃষকের বর্তমান চিত্র তুলে ধরেছেন ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহবধু হত্যা মামলার ৩ আসামী আটক টেকনাফে ৩ রোহিঙ্গা নারীর পেট থেকে ইয়াবা উদ্ধার ওদের জন্ম নৌকায় অর্থের বিনিময়ে এ কার্ড বিত্তবানদের দিচ্ছেন অভিযোগ জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কমিটি প্রদান লালমনিরহাটে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  জামানত ছাড়াই ১০ লাখ টাকার বেশি ঋণ পাবে নতুন উদ্যোক্তা  গলাচিপায় ধরা পড়া অজগর অবমুক্ত, হরিণের করুন মৃত্যু পটুয়াখালীতে শাহিনের সংবাদ সম্মেলন রাঙ্গাবালীতে মামলা করায় বাদীসহ চারজনকে আহত পটুয়াখালীতে ভাড়ার টাকা চাওয়ায় রিক্সাওয়ালাকে মারধর গলাচিপায় মাধ্যমিক স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে নিয়ে তোলপাড় ! কেশবপুর সুবোধমিত্র মেমোরিয়াল অর্টিজম ও প্রতিবন্দী বিদ্যালয় ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন বেড়ায় ফেন্সিডিল,গাঁজাসহ ৫মাদক ব্যবসায়ী আটক
রোজা ভেঙে হিন্দু রোগীকে রক্ত দিলেন মুসলমান

রোজা ভেঙে হিন্দু রোগীকে রক্ত দিলেন মুসলমান

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্কঃ ফেসবুকের মাধ্যমে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠনের সঙ্গে অনিল বোরার যোগাযোগ হয় শোনিতপুরের বাসিন্দা মুন্না আনসারির সঙ্গে। গত রোববার আনসারি রোজা ভেঙে রক্ত দিয়েছেন রেবতী বোরাকে। তিনি বলেন, আমাকে যখন প্রথম রক্ত দিতে হবে বলা হল, আমি সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হয়ে গিয়েছিলাম। যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি আমাকে ফোন করেছিল, আমি নিজেও তার সদস্য।’ ওরা আমাকে বলে ভেবে দেখ, রোজা ভাঙতে হবে কিন্তু। আমি বলেছিলাম রোজা ভাঙতে হলে হবে। তবে যদি রাতে রক্ত দিলে কাজ হয়, তাহলে রোজার শেষেই হাসপাতালে যাব, আর না হলে রোজা ভেঙে দেব!’- বলছিলেন শোনিতপুরের বাসিন্দা, ছোট এক দোকানদার আনসারি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের আসামে। অন্তত দু’জন ইসলাম ধর্মাবলম্বী স্বেচ্ছায় রোজা ভেঙে রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচিয়েছেন দুই হিন্দু ধর্মাবলম্বী রোগীর। গত সপ্তাহে আসামের বিশ্বনাথ চরিয়ালির বাসিন্দা অনিল বোরা তার ৮২ বছর বয়সী মা, রেবতী বোরাকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন। প্রথমে আনসারিকে জানানো হয় যে রাতে রক্ত দিলেও চলবে। কিন্তু পরে জানানো হয় যে তখনইরক্ত দিতে হবে। তখন রোজা ভেঙেই হাসপাতালে গিয়ে রক্ত দিয়ে আসেন আনসারি। কিছু পরীক্ষার পরে জানা যায়, তাকে জরুরি ভিত্তিতে রক্ত দিতে হবে। বোরার রক্তের গ্রুপ বি নেগেটিভ। সেই রক্ত খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন রোজা ভেঙেই হাসপাতালে গিয়ে রক্ত দিয়ে আসেন আনসারি। সঙ্গে সঙ্গেই রক্ত দিতে রাজী হয়ে যান আলী। বিবিসিকে টেলিফোনে তিনি বলেন, যদিও আমাকে রোজা ভাঙতে হয়নি সেদিন রক্ত দেয়ার জন্য। তবে প্রয়োজন হলে ভাঙতেও দ্বিধা করতাম না। ‘কোরআনেই তো আছে একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সবচেয়ে বড় কাজ। তার জন্য রোজা যদি ভাঙতে হয়, তাতেই বা কী যায় আসে?’এ বিষয়ে অনিল বোরা বলেন, রোজা ভেঙে তিনি যেভাবে আমার মায়ের জীবন বাঁচিয়েছেন, তার জন্য ওর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। এদিকে গোলাঘাট জেলার বাসিন্দা ইয়াসিন আলী রোজার শেষে বাবার সঙ্গে হাসপাতালে গিয়েছিলেন ওজন মাপতে। সেখানে গিয়ে হঠাৎ এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয়, যিনি আড়াই বছরের শিশুকন্যার জন্য রক্ত খুঁজছিলেন। রোজা রেখে রক্ত দেওয়ার প্রসঙ্গে কলিতা বলেন, রোজা বা উপবাস করলে শরীর এমনিতেই দুর্বল হয়ে পড়ে। তারপরে যদি রক্ত নেয়া হয়, শরীর আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। ‘সেজন্যই রক্ত নেয়ার আগে ব্লাড ব্যাঙ্কে বিশেষভাবে জেনে নেয়া হয় যে রক্তদাতা কতক্ষণ আগে খাবার খেয়েছেন। আবার রক্ত দেয়ার পরও ফলের রস, ফল এধরণের পুষ্টিকর খাবার দেয়া হয়। ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ‘টিম হিউম্যানিটি’ অনেক বছর ধরেই রোগীদের জন্য রক্তদাতাদের ব্যবস্থা করে। সংগঠনটির প্রধান দিব্যজ্যোতি কলিতার বাবার জন্য রক্ত যোগাড় করতে পারা যায়নি। তার মৃত্যু হয়েছিল। তখন থেকেই রক্তদাতা যোগাড় করেন তিনি। কয়েক বছর হল এজন্য ফেসবুক ব্যবহার করছেন তারা। কলিতা ব্যাখ্যা করে বলেন, এমনিতেই রক্ত দেয়ার পরে অনেকের মাথা ঘুরতে পারে, তার জন্য সাবধান থাকতে বলা হয়। আর যদি কোনো খাবার না খেয়ে রক্ত দেন কেউ, তাহলে অসুস্থ হয়ে পড়া অনিবার্য। রক্ত দানের ঘটনা ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু এই মুসলিম রক্ত দাতারা বলছেন যে তারা একজন মানুষের প্রাণ বাঁচাতে যা করা উচিত বলে মনে হয়েছে, সেটাই করেছেন। এত প্রচার করার কিছু হয়নি এ নিয়ে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2019 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY sdsubrata.info
Translate »